সংবাদ শিরোনাম
লোডিং...
Menu

Monday, February 20, 2023

নিজেদের ইচ্ছে মতো খোলেন কাউনিয়া কমিউনিটি ক্লিনিক-বসে না ডাক্তার

কাউনিয়া(রংপুর) প্রতিনিধিঃ দেশের প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে বর্তমান সরকার সারা দেশে কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করেছে। রংপুরের কাউনিয়ায়  বর্তমানে ২০টির মতো কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে। এসব ক্লিনিকের মাধ্যমে মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা, প্রজনন স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা সেবা, টিকাদান কর্মসূচি, পুষ্টি, স্বাস্থ্যশিক্ষা,পরামর্শসহ বিভিন্ন সেবা প্রদান করার কথা রয়েছে। অথচ এসব ক্লিনিকের কার্যক্রম যেভাবে চলছে, তা সত্যিই হতাশাজনক। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে,  অযত্ন,

অবহেলা এবং কিছু মানুষের দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে এর যে মূল উদ্দেশ্য, তা ব্যাহত হচ্ছে। ফলে মুখ থুবড়ে পড়েছে কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম সরকারি চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারন মানুষ। এমনকি রোগীকে ওষুধ কম দিয়ে খাতায় বেশি লেখার অভিযোগ ক্লিনিকের সিএইচসিপিদের বিরুদ্ধে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সিএইচসিপিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কমিউনিটি ক্লিনিক গুলো সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত খোলা থাকার নিয়ম থাকলেও কৃর্তপক্ষের নজর দারির অভাবে তারা ঠিক সময়ে আসেন না, আসলেও কিছুক্ষণ পরেই বন্ধ করে চলে যান। এলাকাবাসীর অভিযোগ কৃর্তপক্ষকে বলার পড়েও কৃর্তপক্ষ নেইনি কোন ব্যাবস্থা। আক্ষেপের সুরে হরিচরণ শর্মা গ্রামের জিয়াউল হক ও উপজেরার কূর্শা ইউনিয়নের বাহাগিলি গ্রামের জোবেদা বেগম বলেন, মাঝে মাঝে জ্বর সর্দী হলে ঔষদ নেওয়ার জন্য গেইলে ডাক্তারোক পাওয়ায় যায় না, যদিওবা কোনদিন করে থাকে তাও আবার ঔষদ থাকে না। সরজমিনে দেখা যায় উপজেলার হরিচরণ  শর্মা, টেপামধুপুর, কুর্শা ইউনিয়নে বাহাগিলি, রামনাথ সহ কয়েকটি ক্লিনিকে গিয়ে দেখা গেছে দুপুর ১২ টার আগে সব ক্লিনিক বন্ধ, এ বিষয়ে ক্লিনিকের সিএইচসিপিদের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করিলে তারা জানান, এ বিষয়ে টিএইচও স্যারের সাথে কথা বলেন, স্যার সব জানে। কূর্শা ইউনিয়নের কমিউনিটি ক্লিনিকের সুপারভাইজার শ্রী দুলাল চন্দ্র  জানান, আমি এবিষয়ে আপনাদের সাথে দেখা করে কথা বলতে রাজি নই যা কথা আপনারা টি এইচ ও স্যারের সাথে বলেন। একই চিত্র দেখা গেছে টেপামধুপুর  ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রে, নোংরা পরিবেশ নেই পানির ব্যাবস্থা,সেখানকার একাধিক রোগীর মধ্যে একজন বলেন,আমার স্ত্রী ৯মাসের অন্তসত্তা এখানে এনেছিলাম,এসে দেখি ডাঃ নেই। ঔষধও নেই পরে চলে গেছি। এলাকাবাসী জানিয়েছেন, করোনা ভাইরাস শুরু থেকে এই কেন্দ্রে ডাঃ আসে না। এ বিষয়ে নিয়োগকৃত ডাঃ ফারহানার সাথে ফোনে কথা বললে তিনি বলেন, টিএইচও স্যারের সাথে কথা বলেন। কাউনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য প:প: স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মীর হোসেন জানান, কিছু কিছু জায়গায় সমস্যা রয়েছে, সিএইচসিপিরা যে অভিযোগটি করেছে তা সঠিক নয় তাদের জবাবদিহিতা তাদেরকে করতে হবে। আমরা দ্রুত সমস্যা সমাধান করবো এবং নিয়মিত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করনের লক্ষ্যে যথাযত ব্যাবস্থা গ্রহন করবো।



শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: